August 16, 2026, 12:33 pm
শিরোনাম:
প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী মার্কিন সেনা ধরতে বা হত্যা করতে পারলে ৩০ হাজার ডলার: ইরানের সেনাপ্রধান পুতিনের শুভেচ্ছার জবাবে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধন শক্তিশালী করার অঙ্গীকার কিমের অভিন্ন ইতিহাস ও অংশীদারত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী ২২৮ রানের লিড নিয়ে অলআউট বাংলাদেশ, হ্যাজেলউডের ৬ উইকেট ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সংসদে শুরু প্রস্তুতি বানিয়াচোঁতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ৩ জনের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কলম্বিয়া, প্রাণহানি ছাড়াল শতাধিক ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

পুতিনের শুভেচ্ছার জবাবে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধন শক্তিশালী করার অঙ্গীকার কিমের

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬ আগস্ট ২০২৬

কোরিয়ার মুক্তি দিবস উপলক্ষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) কোরিয়ার মুক্তি দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষে পুতিনের পাঠানো বার্তায় দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উঠে আসে। জবাবে কিম বলেন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার সম্পর্কের সামনে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অতীতের যৌথ সংগ্রামের ওপর প্রতিষ্ঠিত উল্লেখ করে কিম এ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় জানান।

পুতিনও ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা বলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত বাহিনীর লড়াই দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহায়তার বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।

তবে একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা কমিয়ে সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানিয়েছেন। কোরীয় যুদ্ধের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি ব্যবস্থায় রূপান্তর এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

পিয়ংইয়ং অবশ্য এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার এমন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকেও উত্তর কোরিয়া উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

উল্লেখ্য, ১৯১০ সালে জাপান কোরিয়া দখল করে। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের পর দীর্ঘ ৩৫ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে।